Deshdeshantor24com: Bangla news portal

ঢাকা রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪

প্রযুক্তি খাতের ব্যবসায়ীদের দাবি আদায় হয়েছে বাজেটে

প্রযুক্তি খাতের ব্যবসায়ীদের দাবি আদায় হয়েছে বাজেটে
ছবি সংগৃহিত

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের কর অব্যাহতির মেয়াদ তিন বছর বৃদ্ধি করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমগ্র তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই খাতসংশ্লিষ্ট জাতীয় বাণিজ্য সংগঠনগুলোর নেতারা।

রোববার (৯ জুন) বেসিস অডিটোরিয়ামে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট (২০২৪-২৫) নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের ‘বাজেট প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসায়ীরা।

দেশের তথ্য প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি রাসেল টি আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, ‘বেসিসের বাজেট প্রস্তাবনাকে মাথায় রেখে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কর অব্যাহতির মেয়াদ তিন বছর বৃদ্ধি করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমগ্র তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

‘এই কর অব্যাহতি শুধুমাত্র তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখবে তা নয় বরং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, রফতানিমুখী উৎপাদনশিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের ভূমিকা পালন করবে। যা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এবং জ্ঞানভিত্তিক ক্যাশলেস অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনের একটি নতুন জোয়ার সৃষ্টি করবে বলে আমরা আশা করি’, যোগ করেন তিনি।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকা স্বত্বেও আইএসপি প্রতিষ্ঠানের সকল সেবাকে আইটিইএসের অন্তর্ভুক্ত না করা, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর ১০% (এআইটি) ও (ওএনইউ) (ওএলটি) উপর বর্তমানে ৩৭% আরোপিত ভ্যাট ও শুল্ক এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যবহৃত সকল সামগ্রীর উপর শুল্ক না কমায় ইন্টারনেট সেবার প্রসার ও ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি বাধাগ্রস্ত হবে বলে আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন মনে করে।’

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্কো) সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর অব্যাহতি নিঃসন্দেহে প্রত্যক্ষভাবে অবদান রাখবে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, নতুন উদ্ভাবন এবং নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন রফতানিমুখী শিল্পে। ফলে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, তেমনি অর্জিত হবে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। যা দেশের অর্থনীতিকে আরও বেগবান করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’

ই-ক্যাবের সহসভাপতি সৈয়দা আম্বারীন রেজা বলেন, ‘ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে এই সেক্টরে পেমেন্ট চার্জ সমমানের ন্যূনতম দুই শতাংশ ক্যাশ ইনসেনটিভ প্রদান করার দাবি জানাচ্ছি। এছাড়াও শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে ক্যাশলেস পদক্ষেপের উপর বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে যা সামগ্রিক পর্যায়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ সহজ করবে।’


এএজি