Deshdeshantor24com: Bangla news portal

ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

কাঠঠোকরা পাখির বৈচিত্র!

কাঠঠোকরা পাখির বৈচিত্র!
কাঠঠোকরা পাখি | ছবিঃ সংগৃহীত

কাঠঠোকরা পাখি এক ধরনের  ঠোঁট ব্যবহার করে গাছের কাঠকে ঠুকতে এবং ছিদ্র করতে পারে। তারা গাছের কাঠের মধ্যে পোকামাকড় এবং অন্যান্য প্রাণী খুঁজে পায় এবং খায়। কাঠঠোকরা পাখি বিশ্বের সব মহাদেশে পাওয়া যায়, তবে তারা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ক্রান্তীয় অঞ্চলে।

এ পাখির মাথায় লাল ঝুঁটি ও কালো-লাল রঙের পালকের মিশেলে অসাধারণ পাখি 'কাঠঠোকরা'। জীবন্ত গাছে বসে সুচালো ঠোঁট দিয়ে ঠক ঠক করে ঠুকিয়ে গাছে গর্ত করে। বিচিত্র সব পাখির মধ্যে কাঠঠোকরা একটি।গ্রাম বাংলায় কাঠঠোকরাকে কাঠমিস্ত্রী পাখি বলা হয়ে থাকে। আগে গ্রাম-গঞ্জে কাঠঠোকরা চোখে পড়লেও ইদানিং আর সচারচর দেখা যায় না। গাছ ঠুকিয়ে বাকল চিরে পোকা খেতে এরা বেজায় পটু। এদের পায়ের নখ অদ্ভুত রকমের। নখই গাছে গাছে অনায়াসে বসতে কাঠঠোকরার সহায়ক। এই পাখির ঠোঁঠ খুবই শক্ত ও ধারালো। 

কাঠঠোকরা বেশ দুরন্ত এবং চতুর। এক গাছে বেশিক্ষণ অবস্থান করে না। এ-গাছ থেকে ও-গাছ করে বেড়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। গাছে গর্ত করে বাসাও বাঁধে। সেখানেই ডিম পাড়ে, বাচ্চা ফোটায়।

তারা দিনে ১০,০০০ বার ঠোকরাতে সক্ষম। তাদের শক্ত ঘাড়ে এক ধরনের প্রাকৃতিক ঝাকুনি শোষণকারী থাকে যা তাদের কম্পনে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

প্রতিটি প্রাণী এমনকি মানুষও নিজ নিজ জায়গা চিহ্নিত করে রাখতে করেন  

একইভাবে কাঠ ঠোকরাদেরও নিজ এরিয়া চিহ্নিতকরনের জন্য নিজস্ব পদ্ধতি রয়েছে। কাঠঠোকরা গাছ/কাঠের উপর জোরে জোরে আঘাত করে অন্য পাখিদের জানায় যে তারা সেই অঞ্চলে উপস্থিত রয়েছে।
এমআইপি