Deshdeshantor24com: Bangla news portal

ঢাকা রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪

জাবিতে দিনে দুপুরে ছিনতাই ; আটক তিন

জাবিতে দিনে দুপুরে ছিনতাই ; আটক তিন
ছবি সংগৃহিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দিনে দুপুরে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গবার (১১ জুন) বেলা এগারোটায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ হতে মীর মশাররফ হোসেন হলগামী সড়কে এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন জনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা। আটককৃত তিন জন হলেন ক্যাম্পাসের রিকশা চালক আরিফুল ইসলাম হৃদয় (১৭), বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের ক্লিনারের ছেলে আদনান(১৪) ও ডেইরি ফার্ম হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর(১৩)। 

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় সকাল ১১ টায় কেয়া ও সাদিক নামের স্কুল পড়ুয়া দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে আসেন। এ সময় মুক্তমঞ্চের পাশের সড়ক দিয়ে মীর মশাররফ হোসেন হলের দিকে যাওয়ার সময় তাদের পথরোধ করে দাঁড়ান রিকশা চালক আরিফুর ইসলাম হৃদয়। তাদের পরিচয় জিজ্ঞেস করে বহিরাগত নিশ্চিত হওয়ার পর সে তার আরেক সহযোগী আদনানকে ফোন করে আসতে বলেন এবং ভুক্তভোগীদের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। এ সময় আদনান এসে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

ভুক্তভোগীদের সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই পরিচয়ে তখন সেখানে উপস্থিত হন অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর। এ সময় তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দরবন এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে সেখানে নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা উপস্থিত হলে ছিনতাই অভিযুক্তদের হাতেনাতে আটক করে নিরাপত্তা অফিসে নিয়ে যান। 

ভুক্তভোগী সাদিক বলেন, 'আমরা দুইজন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে এসেছিলাম। মুক্তমঞ্চের পাশে যাওয়ার পর আমাকে একজন ডেকে নিয়ে যায়। আমার কাছে পরিচয় জানতে চায়। কথা বলার এক পর্যায়ে আমার কাছ থেকে মোবাইল ও তিনশ টাকা কেড়ে নেয় তারা। নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হলে মোবাইল ফেলে দেয় তারা।' 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন বলেন, দিনের বেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের  নিরাপত্তা শাখা ২৪ ঘণ্টা তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পেয়ে আমাদের অফিসাররা সেখানে উপস্থিত হয় এবং  তাদের আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছে। আমরা আপাতত তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। 


এএজি