জবি আইটি সোসাইটির কমিটির নেতৃত্বে হাসান ও বায়েজিদ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটির ৬ষ্ঠ কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভূমি ও আইন প্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী ইমাম হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক (জেনারেল সেক্রেটারি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. বায়েজিদ সরকার বিজয়।
গত রবিবার (৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের বাঁধনের কার্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি আসিফ আহমেদ রোজেল। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এক্সিকিউটিভ ও সাব-এক্সিকিউটিভ সদস্যরা।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত ও মনোনীতরা হলেন সহ-সভাপতি: ইব্রাহিম শেখ, তাওহীদ হাসান (নির্বাচিত), তাহসিনা নাঈমা খান (মনোনীত), সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবু সাঈদ (নির্বাচিত), মো. আলিফ ও মনিকা জাহান খাদিজা (মনোনীত), অর্গানাইজিং সেক্রেটারি: মো. মেহেদী হাসান, ট্রেজারার: কাঞ্চি আক্তার কাজল, অফিস সেক্রেটারি: মো. শাহরিয়ার যুবায়ের, ওয়ার্কশপ সেক্রেটারি: সাফায়েত জামিল, আইটি সেক্রেটারি: সালেহ আহমেদ সাদ, পাবলিসিটি ও পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি: রাবেয়া আক্তার বহ্নি, এডুকেশন ও রিসার্চ সেক্রেটারি: মো. আশরাফুল আলম, ইন্টারন্যাশনাল সেক্রেটারি: মেহেদী হাসান নাঈম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার: ফয়সাল মাহমুদ ও তানভীর হাসান
সভাপতি ইমাম হাসান বলেন, “আমি কৃতজ্ঞতা জানাই সকল সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও ভোটারদের প্রতি—যাদের আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি এই পদে নির্বাচিত হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটিকে আরও প্রযুক্তিমুখী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শিক্ষাবান্ধব একটি সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো সকলের সহযোগিতায়। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাবো নতুন সম্ভাবনার পথে।”
সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বলেন, “তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে জবি আইটি সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হতে পেরে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। আমার ভিশন হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর জন্য একটি লার্নিং এনভায়রনমেন্ট তৈরি করা, যেখানে তারা আইটি দক্ষতা বাড়াতে পারবে। আমাদের নিজস্ব রুম বা ল্যাব না থাকায় আগের দায়িত্বে অনেক কিছু করতে চাইলেও সীমাবদ্ধতা ছিল। এবার সেই সীমাবদ্ধতাকে পাশ কাটিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবো।”
নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এএজি