হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু

শোন বলি একজন মহানায়কের কথা,
যার হাত ধরে আসে বঞ্চিত বাংলার
অমৃত স্বাধীনতা।
শোন বলি একজন মহান নেতার কথা,
যার বজ্র ভাষণে জেগেছিলো ঘুমন্ত
শান্ত বাঙালিরা।
শোন বলি একজন জাতির পিতার কথা,
মুক্তি মানব হয়ে যে উজ্জ্বল করেছে
ইতিহাসের পাতা।
শোন বলি একজন বীর যোদ্ধার কথা,
অপশক্তির কাছে যিনি আপোষ করেনি
নত করেনি মাথা।
বাহান্ন, চুয়ান্ন ,ছেষট্টি সবখানে,
অদম্য নেতা তিনি জাগ্রত ছিলো সদা
দেশের প্রয়োজনে।
ঊনসত্তরে সেই গণঅভ্যুত্থান,
নেতৃত্ব দিয়ে পেলো বঙ্গবন্ধু নাম
যা চির অম্লান।
সত্তরের সেই সে গণপরিষদ ভোটে,
জনতার রায়ে নেতা জিতলো নির্বাচন
বিপুল ব্যবধানে।
পেলো না তিনি ক্ষমতা তবুও টলেনি নেতা,
তর্জনী উচিয়েই ঘোষণা করলো শেষে
দেশের স্বাধীনতা।
পঁচিশ মার্চ রাতে কুচক্রান্ত করে,
বন্দী করে নেতাকে পাকবাহিনী গোপনে
যুদ্ধ রুখে দিতে।
মৃত্যু মুখেও তিনি হয়নি নীতি বিরোধী,
যুদ্ধ চালিয়েছেন সুতীব্র মনোবলে
স্বাধীনতার তরে।
অবশেষে স্বাধীনতা আসলো বাংলাদেশে,
নেতা ফিরলো স্বদেশ আবার দেশ গড়ার
অঙ্গীকার নিয়ে।
মীরজাফরের দল তখনো ছিলো সচল,
সুযোগের সন্ধানে করবে অচল দেশ
নেতা হত্যা করে।
পঁচাত্তরের এক কালো রাতে পিশাচেরা,
ঝাঁঝরা করলো শেষে মহান নেতার বুক,
পেলো কী তারা সুখ?
আজো বেঁচে আছে নেতা উনার কীর্তি মাঝে,
বাঙালির হৃদয়ের সর্বোচ্চ আসনে
মহানায়ক হয়ে।
লেখক, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার, ছাত্র ফেডারেশন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ।
কেএ